অনলাইনে আয় করার নিশ্চিত উপায়-tech515.com

https://tech515.com/wp-content/uploads/2021/09/ফেসবুক-মার্কেটিংWhat-is-Facebook-Marketing-4-1.jpg

আমাদের এই ব্লগে অনলাইনে আয় করার নিশ্চিত উপায় নিয়ে আলোচনা করা হলো

আপনি কি চাকরিজীবী না স্টুডেন্ট ? যাই হোন, আপনি যদি অনলাইনে আর্নিং করতে ইচ্ছুক হন, তাহলে আপনাকে অনলাইনে আয় করার উপায় গুলো নিশ্চিত ভাবে জানতে হবে।tech515.com

অনলাইন ইনকাম কথাটি আমরা মোটামুটি সবাই শুনেছি বা পরিচিত ।

কিন্তু অনলাইনে আয় করার কতটা সহজ তা আমরা অনেকেই নিশ্চিত জানিনা ।

অনেকে মনে করে অনলাইনে ইনকাম করা জন্য একটি গেমিং এপ্স নামালাম গেম খেললাম আয়

করলাম, আবার অনেকে মনে করেন যে -বাংলাদেশী সাইট অনলাইনে ইনকাম করা যায় নাকি? ।

কথাটি ঠিক এরকম না, বাংলাদেশে অনেক সাইট আছে যেখানে অনলাইনে নিশ্চিত আয়

করা যায় এবং এর উপায় গুলো সহজ, আবার অনেক সাইট আছে যেগুলো ফেক ।

সবদিক থেকে ভালো হয় আপনি কোন একটা বিষয়ের উপর স্কিল নিয়ে এগিয়ে যাওয়া এবং সেটার

পিছনে সময় ব্যয় করা এবং শেখা, এবং শেখার পিছনে আমাদের অনেক সময় ব্যয় হয় ।

দেখা যায় আমরা কাজটি পুরোপুরি সমাধান করতে পারিনা এবং শেখার পেছনে সময় ব্যয় করতে

করতে আমরা মূল ইনকাম থেকে ছিটকে পড়ি । এই সমস্যার সমাধান কি ?

আমার এই ব্লগে, এই সমস্যার কিছু সমাধান নিয়ে আলোচনা করলাম আশা করি আপনাদের উপকার হবে

আমরা মূলত অনলাইনে ইনকাম করার জন্য সর্বপ্রথম একটি বিষয় নির্ধারণ করব এবং সেই বিষয়টি উপরে একটি ভাল মানের কোর্স করব ।

বিষয়টি হতে পারে ব্লগিং, গ্রাফিক্স ডিজাইন, ডিজিটাল মার্কেটিং, ওয়েব ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট,

অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ, ইউটিউব, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, ড্রপ শিপিং, ই-মেইল মার্কেটিং, আর্টিকেল রাইটিং, এস ই ও, আপওয়ার্ক, ফ্রিল্যান্সার, অ্যামাজন ।

বিষয়গুলি নিয়ে একটু আলোচনা করা যাক

ব্লগিং:

ব্লগিং হচ্ছে তথ্যাদি এবং মানুষের প্রয়োজনীয় তথ্যাদি একটি ওয়েবসাইট বানিয়ে পৃথিবীর আনাচে-কানাচে সব জায়গায় ছড়িয়ে দেওয়া ।

আরেকটু সহজভাবে বলা যায় একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর লেখালেখির মাধ্যমে একটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে মানুষের জানার পথ সহজ করে দেওয়া ।

অর্থাৎ মনে করুন, আপনার একটি নতুন ভালো মানের মোবাইল সেট দরকার

যখন আপনি এই বিষয়টা নিয়ে গুগলে সার্চ করেন তখন এই বিষয় নিয়ে অনেক তথ্য আপনার সামনে হাজির ।

হয় তখন আপনি সেই তথ্যগুলির থেকে আপনার জানার চাহিদা পূরণ করেন ।

জানার এই চাহিদাগুলি যারা মূলত পূরণ করছে তারাই ব্লগার । ব্লগিং একটি মুক্ত পেশা, যারা লেখালেখি করতে আগ্রহী যারা যাদের জ্ঞান কে মানুষের মাঝে বিতরণ করতে চান তারাই মূলত ব্লগিং করতে পারেন ।

আপনি যদি ব্লগিং করতে চান তাহলে তা খুব সহজেই শুরু করতে পারেন

বেশি কিছু প্রয়োজন পড়ে না, আপনার যা জানা আছে সেই জ্ঞান টি

মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিন, সেই হিসেবে দেখবেন ব্লগিং করা খুব সহজ ।

আমরা প্রত্যেকেই কিছু না কিছু জানি, সেই জানান বিষয়টি যদি আপনি আপনার ব্লগে লিখেন,

তাহলে আপনি সহজেই একটি আর্টিকেল আপনার ব্লগে লিখতে পারছেন ।

তবে কয়েকটি বিষয়ের ক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে, আপনি যদি মনে করেন যে ব্লগিং তিন মাসের জন্য করব তারপর যা হয় দেখে ছেড়ে দেব,

তাহলে সরি ব্লগিং আপনার জন্য নয়, কারণ ব্লগিং করতে অবশ্যই ধৈর্যের প্রয়োজন ।

অনলাইন সেক্টরের সবচেয়ে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছে ব্লগিং সুতরাং এখানে সফলতার জন্য অবশ্যই আপনাকে ধৈর্য ধরতে হবে ।

আর আপনি যদি ধৈর্য ধরতে না পারেন তাহলে আপনি কখনো অনলাইনে ইনকামে সফল হতে পারবেন না ।

ব্লগিং হচ্ছে একটি প্যাসিভ ইনকাম মানে আপনার ওয়েবসাইটটি যতদিন থাকবে ততদিন আপনি বিভিন্ন মাধ্যমে ইনকাম করতে থাকবেন ।

মাধ্যম গুলো হচ্ছে ,অ্যাডসেন্স, আপনি যখন ওয়েবসাইটটি বিভিন্ন আর্টিকেল পরিপূর্ণ করে ফেলবেন,

এবং নির্দিষ্ট কিছু ক্রাইটেরিয়া পূরণ করবেন তখন আপনি গুগল এডসেন্স এর সাথে বিজ্ঞাপনের জন্য

আবেদন করতে পারবেন এবং এর মাধ্যমে আপনার একটি প্যাসিভ ইনকাম হবে ।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে, বিভিন্ন এফিলিয়েট লিংক আপনার ব্লগ সাইটের মাধ্যমে শেয়ার করে আপনি ইনকাম জেনারেট করতে পারবেন ।

তাছাড়া আপনি আপনার ওয়েবসাইটে বিভিন্ন কোম্পানির বিজ্ঞাপন দেওয়ার মাধ্যমে আয় করতে পারবেন ।

কত খরচ পড়বে

এখানে দুটো বিষয়, একটি হচ্ছে আপনি যদি শখের বশে ব্লগিং করেন, তাহলে আপনি একটি ফ্রি ডোমেইন-হোষ্টিং দিয়ে ব্লগ সাইট তৈরি করতে পারেন ।

কিন্তু এর দ্বারা আপনি বেশিদিন বেশিদূর এগোতে পারবেন না, কারন শখের বশে ব্লগিং আর প্রফেশনাল ব্লগিং সম্পূর্ণ আলাদা বিষয়।

আর যদি আপনি প্রফেশনাল ভাবে করতে চান তাহলে একটি মোটামুটি ভালো

মানের ডোমেন- হোস্টিং কিনে কাজ শুরু করে দিতে পারেন ।

একটি ভাল মানের ডোমেন – হোস্টিং তিন থেকে চার হাজার টাকার মধ্যে পড়বে ।

সুতরাং, ব্লগিং করতে চাইলে প্রথমে আপনার মাইন্ড টাকে সেটাপ করে নিন

যে আপনি এটাকে প্রফেশনালি নিবেন না শখের বশে নিবেন ।

গ্রাফিক্স ডিজাইন:

গ্রাফিক্স ডিজাইন কথাটির সাথে আমরা মূলত সবাই কম বেশি পরিচিত, আপনি যদি কোনো ভালো সুপ্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠান থেকে

এর উপরে কোর্স সম্পন্ন করে, বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে ডিজাইনিং কাজগুলি করে ভালো একটা রেভিনিউ আর্ন করতে পারেন

বিশেষ করে বিভিন্ন লোগো ডিজাইন ব্যানার ডিজাইন যদি শিখে থাকেন ,

তাহলে বিভিন্ন মার্কেটপ্লেস গুলিতে এগুলো সাবমিট করে ভালো মানের একটা আয় করতে পারবেন।

ডিজিটাল মার্কেটিং

ডিজিটাল মার্কেটিং বিষয়টি এত বড় যে একটি একটি আর্টিকেল দাঁড়া এত বড় বিষয়টা বোঝানো কষ্টকর,

মোটকথা আমরা অনলাইনে ইনকামের জন্য যতগুলো বিষয়ে চেষ্টা করছি এবং সেই সমস্ত বিষয়গুলি ডিজিটাল মার্কেটিং এর অন্তর্ভুক্ত ।

সহজ ভাষায় আমার এই আর্টিকেলে যত বিষয় নিয়ে আমি আলোচনা করব সমস্ত বিষয়গুলি এই ডিজিটাল মার্কেটিং এর অন্তর্ভুক্ত ।

ওয়েব ডিজাইন

বর্তমানে ওয়েব ডিজাইনের একটি ভালো চাহিদা রয়েছে এবং বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে কাজ করা যায় এবং এর রেট ও খুব বেশি ।

আপনি যদি ভাল ওয়েব ডিজাইনের কাজ জেনে থাকেন তাহলে ফ্রিল্যান্সার এবং আপওয়ার্ক মত সাইটে আপনি ভালোভাবে কাজ করতে পারেন ।

আপনি আপনার একটা গিগ তৈরি করে অনলাইনে আয় করা নিশ্চিত করতে পারেন ।

ওয়েব ডেভেলপমেন্ট

ওয়েব ডেভেলপমেন্ট একটি হাই ভোল্টেজ ইনকাম ওয়ার্ক । আপনি যদি ওয়েব ডেভেলপমেন্ট কাজগুলি শিখতে পারেন

একত আপনি বড় মার্কেটপ্লেসে বায়ারের কাজ গুলি করতে পারবেন,

সাথে সাথে আপনি আপনার নিজের ওয়েবসাইট মেইনটেনেন্স এবং ডেভলপ করতে পারবেন ।

অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ

অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডেভেলপ করে আপনি আয় করতে পারেন, তাছাড়া আপনি একটি অ্যাপস তৈরি করে সেটা মনিটাইজ করে

এড শো করাতে পারেন এবং এটি একটি ইনকামের অন্যতম উৎস,

এডমোব বা গুগল প্লে- স্টোর মাধ্যমে আপনি এই আর্নিং টি করতে পারেন ।

ইউটিউব

ইউটিউব এ চ্যানেল তৈরি করে এবং সেই চ্যানেলে মনিটাইজ করে আপনি গুগল এডসেন্স থেকে ইনকাম করতে পারেন

কিন্তু সে জন্য আপনার আবারো দরকার পড়বে ধৈর্য, ধৈর্য হারা হলে আপনি ইউটিউব থেকে ইনকাম করতে পারবেন না

এমনও লোক আছে যারা ইউটিউবে ধৈর্যের সাথে ভিডিও আপলোড করে গেছে এক সময় না এক সময় তার চ্যানেল ঠিকই মনিটাইজ হয়েছে ।

ইউটিউবিং করতে গেলে কিছু রুলস আছে যেটা আপনাকে অবশ্যই মেন্টেন করতে হবে,

অবশ্যই রুলস গুলো জেনে ইউটিউবইং করব ।

ইউটিউব এর বড় একটি বিষয় হচ্ছে কখনই অন্যের কনটেন্ট কপি করতে যাবেন না,

নিজে যেটা পারেন সেটা নিয়ে ইউটিউবিং করেন ।

অবশ্য অন্যের কনটেন্ট দেখে আপনি আইডিয়া নিতে পারেন, কিন্তু সেখান থেকে কপি করতে পারবেন না, যদি আপনি কনটেন্ট কপি করেন তাহলে চ্যানেল মনিটাইজ করতে পারবেন না।

আজ কাল আপনি সহজেই ইউটিউব চ্যানেল ওপেন করতে পারেন,

সেখানে আপনার যে বিষয়ে জ্ঞান আছে সে বিষয়ে টিউটোরিয়াল তৈরি করে

ভিডিওগুলো আপলোড করতে পারেন ।

হয়তো আপনি রান্নাবান্না ভালো পারেন সে বিষয়টি চ্যানেল খুলতে পারেন, কোন টিউটোরিয়াল বিষয়ক এসাইনমেন্ট, খেলাধুলা ব্লগিং

আপনি একটা ব্লগ ইউটিউব চ্যানেল খোলা থাকলে আপনি যেকোন বিষয় সেখানে ভিডিও দিতে পারবেন,

শুধুমাত্র ব্লগ চ্যানেলটিতে আপনি সব বিষয়ের উপরে ভিডিও দিতে পারবেন কিন্তু অন্যান্য ইউটিউব চ্যানেলের ক্ষেত্রে ,

আপনি শুধু যে বিষয়ের উপরে চ্যানেল করেছেন সে বিষয়ের উপর ভিডিও দিতে পারবেন,

যেমন উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, ধরেন আপনার একটি রান্নার চ্যানেল রয়েছে কিন্তু সেখানে আপনি অন্য বিষয় নিয়ে

ভিডিও দিতে পারবেন না শুধুমাত্র রান্নাবিষয়ক ভিডিওগুলি দিতে পারবেন ।

আমার জানামতে গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে শুধুমাত্র মোবাইলে ইউটিউব চ্যানেল খুলে রান্নাবান্না দেখিয়ে চ্যানেল মনিটাইজেশন করে ফেলেছে,

তাহলে, দেখুন তো, ইচ্ছা থাকলেই উপায় হয়, তারা যদি চ্যানেল মনিটাইজেশন

করাতে পারে তা আপনি পারবেন না কেন?

এমনকি গ্রামের কৃষকরা এখন ইউটিউবে ভিডিও দিচ্ছে, আমার জানামতে সাউথ ইন্ডিয়ান এমন অনেক চ্যানেল আছে

যেগুলো শুধু কৃষকরা তাদের রান্নাবান্নার ভিডিও আপলোড করে মনিটাইজেশন পেয়েছে।

সুতরাং আপনি একটি ইউটিউব চ্যানেল খুলে শুরু করে দিন এবং একসময় আপনার সাবস্ক্রাইবার এবং ওয়াচ টাইম পূর্ণ হলে আপনি মনিটাইজেশন পেয়ে যাবেন ।

এবং ব্লগ সাইটের মত আপনি এডসেন্স থেকে ইনকাম করতে পারবেন ।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং

আপনি আপনার ব্লগ সাইটে বিভিন্ন লেখালেখির মাধ্যমে বা বিভিন্ন প্রোডাক্ট রিভিউ

এর মাধ্যমে সেখানে এফিলিয়েট লিংক ক্রিয়েট করে তার মাধ্যমে ইনকাম করতে পারেন,

বড় বড় কোম্পানি যেমন অ্যামাজন, ক্লিকব্যাংক, থিমফরেস্ট, এনভাটো, বড় বড় মার্কেটপ্লেস এগুলি

থেকে অ্যাফিলিয়েট অ্যাকাউন্ট ওপেন করে আপনার ওয়েবসাইটে ইনকাম জেনারেট করতে পারেন ।

ব্লগ সাইটে একটি বিষয় খুব জানা দরকার যে আপনি আপনার ব্লগ সাইটে যেখানে সেখানে এফিলিয়েট লিংক প্রোভাইড করবেন না ।

এতে করে আপনার ব্লগ সাইটে প্রবলেম হতে পারে, শুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট জায়গায় সুন্দরভাবে প্রডাক্ট রিভিউ দিয়ে লিংকটি সাবমিট করবেন ।

ড্রপ শিপিং

ড্রপশিপিং হচ্ছে, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর মত একটি বিষয়, শুধু পার্থক্য হচ্ছে এফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে

আপনি শুধু যে প্রোডাক্টটি নিয়ে অ্যাফিলিয়েট করবেন সেটার একটি কমিশন পাবেন,

আর ড্রপ শিপিং হচ্ছে সোজা কথায় আরেকজনের পণ্য আপনি বিক্রি করবেন এবং সেখান থেকে আপনি প্রফিট নিবেন ,

অন্য আরেকজনের পণ্য আপনি শুধু মাঝখান দিয়ে আপনার কাস্টমার বা ক্লায়েন্টের সাথে যোগাযোগ

করে পণ্য বিক্রি করে দিবেন, বিষয়টা অনেকটা নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এর মতই ।

ই-মেইল মার্কেটিং

ইমেইল মার্কেটিং হচ্ছে, ইমেইলের মাধ্যমে আপনার বা আপনার বায়ারের পণ্যের মার্কেটিং করা,

একই সময়ে অনেকগুলি নির্ধারিত ক্লায়েন্টের কাছে ইমেইল পাঠানো কে এবং আপনার পণ্য সম্বন্ধে জানিয়ে

তাদেরকে আপনার ওয়েবসাইটে নিয়ে আসা কে email-marketing বলে ।

আর্টিকেল রাইটিং

ভালো মানের আর্টিকেল রাইটিং এর মাধ্যমে আপনি আপনার নিজস্ব ব্লগ সাইটে

বা ক্লায়েন্টের সাইট কে গুগলের প্রথম পেজে সহজে নিয়ে যেতে পারবেন ।

এবং আপনি আপনার ব্লগ সাইট কে ভালোভাবে চালাতে হলে আপনাকে অবশ্যই ভাল মানের আর্টিকেল রাইটিং করতে হবে।

যাদের ব্লগ সাইট কিংবা ওয়েবসাইট নেই তারা শুধুমাত্র বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে আর্টিকেল রাইটিং

এর কাজ করে ভালো ইনকাম জেনারেট করতে পারেন ।ফাইবার, আপওয়ার্ক, এর মত মার্কেটপ্লেসে আপনি আর্টিকেল রাইটিং

এর উপরে গিগ সাবমিট করে ভালো ক্লায়েন্ট পেতে পারেন ।

এস ই ও

এস, ই ,ও ,মানে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন, এস,ই,ও শিখে আপনি ভালো মানের ইনকাম জেনারেট করতে পারেন,

এসইও নির্ভর আর্টিকেল রাইটিং করে আপনি আপনার ব্লগ সাইট কে গুগলের প্রথম পেজে নিয়ে আসতে পারেন ।

যে কোনো কনটেন্টকে গুগলের প্রথম পেজ নিয়ে আসাকেই এসইও বলে ।

শুধুমাত্র এসইও শিখে এবং তার উপর কাজ করে মানুষ হাজার হাজার ডলার ইনকাম করতেছে ।

ফাইবার, আপওয়ার্ক, ফ্রিল্যান্সার, এর মত বড় বড় সাইটে বড় বড় বায়ারদের কাজ করতেছে ।

তাছাড়া আপনি আপনার নিজের ব্লগ সাইট থেকে ভালো ইনকাম করতে চাইলে অবশ্যই আপনাকে এস,ই,ও, জানতে হবে ।

আপনার ব্লগ সাইটের যে কোনো কনটেন্ট যদি এসইও নির্ভর হয় তাহলে এটি গুগলের প্রথম পেজে

থাকবে এবং এর উপর প্রচুর সার্চ হবে এবং আপনি এডসেন্স থেকে প্রচুর ইনকাম করতে পারবেন

এবং আপনার অ্যাফিলিয়েট পণ্য সবাই সহজে দেখতে পারবে এবং

কেনার পসিবিলিটি বেড়ে যাবে, এতে করে আপনি একটি ভাল রেভিনিউ আর্ন করতে পারবেন ।

আপওয়ার্ক, ফ্রিল্যান্সার, অ্যামাজন

এই মার্কেট প্লেস গুলোতে কাজ করে আপনি প্রচুর রেভিনিউ আর্ন করতে পারবেন

আপওয়ার্ক এবং ফ্রিল্যান্সারে আপনি ফ্রিল্যান্সিং করে আয় করতে পারবেন এবং অ্যামাজনে আপনি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে আয় করতে পারবেন।

উপরে উল্লেখিত অনলাইনে আয় করার নিশ্চিত উপায় বা বিষয়গুলো

থেকে যে কোন একটি বিষয়ে কিংবা একাধিক বিষয়ে আপনি কোর্স করতে পারেন এবং এই কোর্সের পাশাপাশি আর্নিং জেনারেট করতে থাকলে,

তাহলে আপনার অনলাইন ইনকাম থেকে সরে যাওয়ার কোনো সম্ভাবনা থাকেনা ।

ধরুন, আপনি এসকল বিষয় থেকে ব্লগিং বিষয়টি বেছে নিলেন, তাহলে আপনাকে ব্লগিং করতে হলে

অবশ্যই একটি ওয়েবসাইট তৈরি করতে হবে, তো আপনি যখন ব্লগিং শিখতে থাকবেন ।

কিভাবে আর্টিকেল রাইটিং করতে হয় কিভাবে ওয়েবসাইট তৈরি করতে হয় এর পাশাপাশি

আপনি প্র্যাকটিক্যাল কাজটিও করতে থাকলেন প্র্যাকটিক্যাল আপনি বিভিন্ন কন্টেন্ট রাইটিং করে বিভিন্ন সাইটে ইনকাম করতে থাকলেন ।

আবার ধরুন আপনি গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখছেন ও গ্রাফিক্স ডিজাইন শেখার পাশাপাশি আপনি ইলাস্ট্রেটর এবং ফটোশপে নিশ্চয়ই কাজ করতে হয়,

যখন ইলেষ্টেটর আপনি কাজ করবেন তখন অনেক লোগো এবং বিজনেস কার্ড মেকিং শেখা যায় ।

লোগো এবং বিজনেস কার্ড মেকিং করে বিভিন্ন লোগো সাবমিট করার মার্কেটপ্লেসে আপনি সাবমিট করতে পারেন ।

এবং সেখান থেকে একটি রেভিনিউ আর্ন করতে পারেন এভাবে আপনি গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখলেন পাশাপাশি আর্ণ করতে পারলেন

শুধু শিক্ষার মধ্যে থাকলে হয়তো আপনি একসময় অনলাইন থেকে ছিটকে যাবেন,

কিন্তু পাশাপাশি যদি আর্ন করতে থাকেন, তাহলে আপনি অনলাইন সেক্টর থেকে কখনোই সরে যাবেন না ।

এবং ওইটা আপনার অনলাইনে আয় করার নিশ্চিত উপায় হবে। (CAR INSURANCE VERY EASY)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *